সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে বাফুফের নতুন সভাপতি তাবিথ আউয়াল, সালাউদ্দিন যুগের অবসান

কাজী সালাউদ্দিনকে আর বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি পদে দেখা যাবে না- এটা নিশ্চিত হয়েছিল আগেই।
গত ১৪ সেপ্টেম্বর নির্বাচন না করার ঘোষণা দেন সাবেক এই তারকা ফুটবলার। তার দীর্ঘ ১৬ বছরের ‘শাসনামল’-এর অবসান নিশ্চিত হলেও নতুন সভাপতি কে হবেন, তা নিয়ে ছিল অনেক জল্পনা কল্পনা। সেসবের আজ শেষ হলো। বাফুফেতে সালাউদ্দিন যুগের সমাপ্তি হলো, চার বছরের মেয়াদে দেশের ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থার নতুন সভাপতি নির্বাচিত হলেন তাবিথ আওয়াল।
শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে চার ঘণ্টাব্যাপী চলা ভোটে দিনাজপুরের তৃণমূল সংগঠক আ ফ ম মিজানুর রহমান চৌধুরীকে বিপুল ব্যবধানে হারিয়ে বাফুফের মসনদে বসলেন তাবিথ আউয়াল। সভাপতি পদে এ দুজনই লড়েছেন। দুই মেয়াদে সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করা তাবিথ ভোট পেয়েছেন ১২৩। মিজানুর রহমানের পক্ষে ভোট পড়ে মাত্র ৫টি।
সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ।বাফুফের কার্যনির্বাহী কমিটির পদ মোট ২১টি, পদগুলোয় লড়েছেন ৪৬ জন প্রার্থী। সভাপতি পদে লড়েছেন দুজন। ইমরুল হাসান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে ভোট হয়নি। চারটি সহ-সভাপতি পদে লড়েছেন ছয়জন।
এ ছাড়া নির্বাহী সদস্য ১৫টি পদে নির্বাচন করেছেন ৩৭ জন। ১৩৩ জন কাউন্সিলরের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১২৮ জন।২০০৮ সালে প্রথমবারের মতো বাফুফের সভাপতি নির্বাচিত হন সালাউদ্দিন। মেজর জেনারেল আমিন আহমেদকে হারিয়ে সেবার বাফুফে প্রধানের চেয়ার জেতেন দেশের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই খেলোয়াড়।
পরের দফায়, ২০১২ সালে নির্বাচন করতে হয়নি সালাউদ্দিনকে, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি। ২০১৬ সালে বাফুফে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। কামরুল আশরাফকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো সভাপতি হন সালাউদ্দিন। সর্বশেষ নির্বাচনে জাতীয় দলের দুই সাবেক ফুটবলার শফিকুল ইসলাম মানিক ও বাদল রায়কে হারিয়ে বাফুফের মসনদে বসেন কিংবদন্তি এই ফুটবলার।



